At a Glance
শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ বিদ্যালয়
সম্পর্কিত তথ্য
মূলমন্ত্র : জ্ঞানই শক্তি / Knowledge is Power
লক্ষ্য : শিক্ষার্থীদের 'ভালো মানুষ গড়া’।
লক্ষ্য অর্জনের উপাদান : জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা
উদ্দেশ্য : শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যতের
জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। মূলনীতি : প্রতিষ্ঠানের
লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পাঁচটি মূলনীতির উপর পরিচালিত-
(১) উপযোগী পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড প্রণীত সিলেবাস অনুযায়ী সকল
স্তরের শিক্ষাদান।
(২) শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনা ও ধ্যান
ধারণার অবাধ যোগাযোগ গড়ে তোলা।
(৩) পাঠ সহায়ক ও পাঠ্যক্রম বহির্ভূত সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকসুষম বিকাশে সাহায়তা করা।
(৪) শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য নাগরিক হিসেবে ভবিষ্যতে সকল ক্ষেত্রে
মূল্যবান অবদান রাখতে পারে এবং জাতিকে গতিশীল নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে
সে জন্য সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ।
(৫) নৈতিক, সামাজিক, শারীরিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে প্রতিটি
শিক্ষার্থীর জন্য সুষম সুযোগ সৃষ্টি করা। শিক্ষাদান পদ্ধতি প্রতিষ্ঠানে
প্রধানত দুই ধরণের শিক্ষাদান পদ্ধতি চালু আছে।
যথা- ১। একাডেমিক কার্যক্রম:
একাডেমিক কার্যক্রম তিন স্তরে পরিচালিত হচ্ছে -
ক। প্রাথমিক স্তর: নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি
খ। মাধ্যমিক স্তর: ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি
গ। উচ্চ মাধ্যমিক স্তর: একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি
২। সহশিক্ষা কার্যক্রম: শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক উন্নতির সমন্বয়
সাধনের নিমিত্তে মোট ১৪টি ক্লাব গঠন করে নিয়মিত কার্যক্রমপরিচালিত হচ্ছে
এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। ক্লাবগুলো হলো- বিজ্ঞান
ক্লাব, গণিত ক্লাব, ফিজিক্স ক্লাব, ইংলিশ ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব,
ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, স্কাউট ক্লাব, সংগীত ক্লাব, আবৃত্তি
ক্লাব, ড্রইং ক্লাব, কুকিং ক্লাব, জিকে ক্লাব। এসকল ক্লাবকার্যক্রমে
অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক পড়াশোনার উন্নতির
পাশাপাশি বিভিন্ন মানবীয় গুণাবলী অর্জনেও সক্ষম হচ্ছে।
History
আমাদের অগ্রযাত্রার কিছু কথা নৈসর্গিক সৌন্দর্যের আকর, মনোমুগ্ধকর সমুদ্রের নীল জলরাশি ও ঢেউয়ের গর্জন; সাথে হিমেল হাওয়ার নয়নাভিরাম লীলাভূমি পর্যটন নগরী কক্সবাজার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মোহনীয় ও শাণিত রূপ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সমুদ্রের বিশালতা বুকে ধারণ করে নোনাজলস্নাত নিসর্গের তীর্থভূমি, কক্সবাজারের রামুউপজেলার নয়নাভিরাম ছায়াঘন প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা রামু সেনানিবাসে অবস্থিত "শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ।‘‘ একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার লক্ষ্যে’’ জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা "এই স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে "রামু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ" নামে তার বিরতিহীন যাত্রা শুরু করে। আরাকান সড়কঘেঁষা দৃষ্টিনন্দন এ শিক্ষাপ্রতিষ্টানের বিস্তীর্ণ সবুজ প্রাঙ্গণ সামরিক ও বেসামরিক শিক্ষার্থীদের কলকুঞ্জনে নিত্য মুখরিত। একটি আদর্শ শিক্ষা পরিমন্ডলের প্রয়োজনীয় পরিবেশ এবং উপাদানের প্রাচুর্যে ভরপুর এ প্রতিষ্ঠানের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে যাচ্ছে শিক্ষানুরাগী কক্সবাজারবাসীর হৃদয়ের দোরগোড়ায়। জাতির ভবিষ্যৎ, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন; বিজ্ঞানমনস্ক সুনাগরিক তৈরির লক্ষ্যে নীতি-নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার আলো বিকশিত করে যাচ্ছে "শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ। " গত ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে দিবাগত রাতে চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসীদের হামলায় শহীদ হন সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সরোয়ার। গত ৩ নভেম্বর, ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয় ‘‘শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ।’’ শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিমের বীরত্বগাথা ও সাহসিকতার দৃষ্টান্ত সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া এবং দেশমাতৃকার জন্য তার অবদানকে চিরস্মরণীয় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমরা বিশ্বাস করি, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিমের সাহসিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশমাতৃকার প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ করতে উৎসাহিত হবে। ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সালে অর্ধ-সমাপ্ত ভবনে ২৭৬ জন ছাত্র-ছাত্রী, ১৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ৫ জন ননটিচিং স্টাফের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত অধ্যক্ষ মেজর মোহাম্মদ পারভেজ, এইসি এর দক্ষ নেতৃত্বে ৪১ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা, ৩৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। প্রতিষ্ঠাবর্ষেই আমাদের প্রতিষ্ঠান নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এবং ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানের অনুমোদন লাভ করে। বর্তমানে নার্সারি শ্রেণি থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত ১১২৯ জন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আছে। প্রতিষ্ঠাকালে সহযোগী সদস্যবৃন্দের মহতী উদ্যোগ ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে "রামুক্যান্টনমেন্টের" প্রাণকেন্দ্রে যে প্রতিষ্ঠানটি একদিন গড়ে উঠেছিল, হাঁটি হাঁটি পা পা করে তা আজ আধুনিক সাজে সজ্জিত হয়ে দেশের শ্রেষ্ঠ একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৮ অক্টোবর, কক্সবাজার জেলার রামুউপজেলায় ১৭৭৮ একর জায়গার উপর রামুসেনানিবাস তথা ১০ পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ডিভিশনের প্রথম জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, এনডিসি, এএফডব্লিসি, পিএসসি, পিএইচডি ১৭ একর জায়গার উপর একটি দৃষ্টিনন্দন স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে পরবর্তী জিওসি মেজর জেনারেল মাকসুদুর রহমান, বিএসপি, পিএসসি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যকরী পদক্ষেপ নেন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার জন্য তৎকালীন প্রধান পৃষ্ঠপোষক, কমান্ডার ২ পদাতিক ব্রিগেডকে নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধান পৃপোষকের আদেশ বলে ব্রিগেড কমান্ডার, ২ পদাতিক ব্রিগেড, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ মোহাম্মদ বাকির পিএসসি পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নির্বাচিত হন। প্রশাসনিক কাজে সহায়তার জন্য লে. কর্নেল আবু ফাত্তাহ মো.ফখরুজ্জামান, পিএসসি, অধিনায়ক, ১৪ বীর সহ-সভাপতি ( কো অপ্ট-সদস্য) নির্বাচিত হন। মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান, এইসি প্রিন্সিপাল হিসেবে ২৭ জানুয়ারি, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। বিদ্যালয়ের গোড়াপত্তনের বিভিন্ন ধাপে আমরা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করছি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: গোলাম ফারুক এসজিপি, এসইউপি, এনএসডব্লিউসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি কে যিনি প্রাথমিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও ই-ইন-সি অফিসের সাথে কার্যকরী সমন্বয় সাধন করেছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে, আধুনিকায়ন, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সুষ্ঠু ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও দিক নির্দেশনা প্রদান করছেন বিদ্যালেয়র প্রধান পৃষ্ঠপোষক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কক্সবাজার এরিয়া। প্রধান পৃষ্ঠপোষক শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশপ্রেম ও সৃজনশীলতায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে সহ-শিক্ষা কার্যক্রম জোরালোভাবে পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন। জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা এ মূলনীতিগুলো অর্জনের লক্ষ্যে আমরা পরিকল্পনা মোতাবেক শিক্ষার্থীদের পাঠদান এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। জ্ঞান আধুনিক পৃথিবীকে জানতে সহয়তা করে। শৃঙ্খলা শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে অবিচল রাখে। আর নৈতিকতা শিক্ষার্থীর চারিত্রিক দিককে উন্নত করে পরিপূর্ণ মানুষ হতে সহায়তা করে। আমাদের দৃষ্টি থাকে ফলাফল, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অর্জন এবং যুগোপযোগী সকল ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তোলা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি এখানে শিক্ষার্থীকে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হয় এবং সুষ্ঠু সাংস্কৃতিক চর্চাসহ অন্যান্য সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। এখানে কেবল পাঠ্যপুস্তকের ছকঁবাধা শিক্ষা নয়, কোনো ছাত্র-ছাত্রী যেন জীবনে চলার পথে বাধাগ্রস্ত না হয় তার জন্য সৃজনশীলতা, একইসাথে কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে শৃঙ্খলা অনুসরণের শিক্ষা দেওয়া হয়। জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার মূলমন্ত্রে আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থী উজ্জীবিত এবং বিশ্ব নাগরিক হয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, ‘‘মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।’’ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিগত বছরগুলোতে পিইসিই, জেএসসি পরীক্ষায় আমাদের শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে এবং কক্সবাজার জেলায় তৃতীয় স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আমাদের প্রতিষ্ঠান এ অঞ্চলে ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করে চলেছে। বিদ্যালয় এবং কলেজ শিক্ষার পাঠ চুকিয়ে আমাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী বর্তমানে বিভিন্নপাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত আছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আমাদের অগণিত শিক্ষার্থী আলোকিত মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে এবং সগৌরবে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের নিরলস পরিশ্রম ও সপ্রতিভ প্রচেষ্টার ফলে অত্যন্তদ্রুততার সাথে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়। ২০১৯ সালের নভেম্বরে বিদ্যালয়ের মূল ভবন নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়। স্থাপিত হয় বিজ্ঞান ল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি, গ্যালারি, সুপ্রশস্ত মাঠ, রাস্তা ও মিলনায়তনসহ নানাবিধ অবকাঠামো। ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নয়নাভিরাম শহীদ নির্মিত হয়। একই বছরে অবকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে মাঠ সংলগ্ন গ্যালারী নির্মাণ, লাইব্রেরি আধুনিকায়নের নিমিত্তে দৃষ্টিনন্দন আসবাবপত্র স্থাপনসহ নানাবিধ অবকাঠামো উন্নয়ন সাধিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের একটি ৪ তলা বিশিষ্ট ভবনে ৩৬ টি শ্রেণিকক্ষ, ১ টি মিলনায়তন, ৩ টি বিজ্ঞান ল্যাব, ১ টি কম্পিউটার ল্যাব, ১ টি লাইব্রেরি, ১ টি শহীদ মিনার, ১ টি অভিভাবক বিশ্রামাগার, ১ টি গার্লস ও ১ টি বয়েস কমনরুম, ২ টি শিক্ষকরুম, ১ টি কনফারেন্স রুম, ১ টি ক্যান্টিন এবং ২ টি অফিস কক্ষ রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের রয়েছে স্টাফদের রেস্টরুম, ২৪ ঘণ্টা সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ, পেন্সিল সদৃশ নান্দনিক প্রবেশদ্বার, সুবিশাল প্লে-গ্রাউন্ড এবং নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষ ও উত্তরোত্তর ক্রমবিকাশের ধারাবাহিকতায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের রয়েছে ভিউ বোর্ডের মাধ্যমে পাঠদান ব্যবস্থা, "প্রস্তাবিত আইসিটিডি রোবটিক্স কর্ণার," ডিজিটাল হাজিরা ও সিসি ক্যামেরা সংবলিত অটোমেটেড স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। আমাদের সুবিশাল নান্দনিক লাইব্রেরিতে রয়েছে ৪৬০০ -এর অধিক বইয়ের সমাহার। পুঁথিগত বিষয়ের বাইরে নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতার জায়গাগুলোতে উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক শক্তি ও সুসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের বিকাশে আমরা সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ করে থাকি। আমরা শিক্ষার্থীদের এই অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকিঃ‘‘ওঠো, জাগো, নিজে জেগে অন্যকে জাগাও।’’ -স্বামী বিবেকানন্দ। আমাদের সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো:-খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সাঁতার প্রতিযোগিতা, আন্তঃস্কুল ফুটবল, জাতীয় দিবস পালন, স্কাউট, বিএনসিসি, হাইকিং, গার্লস গাইড, প্রদর্শনী, নাট্যানুষ্ঠান, বিচিত্রানুষ্ঠান, বাগান তৈরি, বার্ষিক ম্যাগাজিন, অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা সফর, উৎসব আয়োজন, ক্রীড়ানুষ্ঠান, গান-বাজনা, সামাজিক সংগঠন, গল্প প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, দেয়ালিকা প্রকাশ, ভাস্কর্য তৈরি, অ্যালবাম তৈরি, ফটোগ্রাফি, ছবি আঁকা, কুইজ প্রতিযোগিতা, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, ম্যাথ বা ফিজিক্স অলিম্পিয়াড, ক্যারিয়ার ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবকের কাজ, বইপড়া ক্লাব, বিজ্ঞানচর্চা ক্লাব, রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ । বর্তমানে আমাদের প্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম বিষয়ক ১২ টি ক্লাবের কাজ চলমান রয়েছে। কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, সৃজনশীলতা বৃদ্ধি; মানসিক বিকাশ, চাকরির প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখা, অভিজ্ঞতা লাভ, সামাজিকীকরণ, দলগতভাবে কাজের শিক্ষা অর্জন, সামাজিক সুযোগগুলো উন্মুক্ত হওয়া, আত্মসম্মান বৃদ্ধি, একাডেমিক পারফরমেন্স উন্নত করা, সময়ের সদ্ব্যবহার, নিজের আগ্রহ প্রকাশ করার সুযোগ অর্জন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি ইত্যাদি সুযোগ ও সুবিধা বা উপকারিতা অর্জিত হয় সহ-শিক্ষাক্রমিক কার্যাবলি থেকে। সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার জন্য ২০১৮ সালের শেষদিকে শিক্ষার্থীদের ৪ টি হাউজ যথাক্রমে ক্যা.সেতারা হাউজ, লে.মুফিক হাউজ, লে.সামাদ হাউজ, লে.আহসান হাইজে বিভক্ত করা হয়। ‘‘মহান আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তিনি তাকে দীনি গভীর ‘ইলম দান করেন।’’ -হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। অমিত সম্ভাবনাকে বুকে ধারণ করে একটি প্রজ্ঞাবান জাতি গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছে শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ। প্রতিষ্ঠার স্বল্পতম সময়ের মধ্যে এ প্রতিষ্ঠান জেলার শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সাফল্য রাখতে শুরু করেছে। এ অর্জন সম্ভব হচ্ছে অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকমণ্ডলীর সার্বিক সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার ফলে। প্রকৃতির অপরূপ দানে বিত্তবৈভবে ভরপুর অথচ শিক্ষাদীক্ষায় পিছিয়ে থাকা এই প্রান্তিক জনপদে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষাবিস্তারে সগর্ব ও দীপ্ত পদচারণার অন্য নাম ‘‘শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ।’’ ‘‘শহীদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ’’ শিক্ষাবিস্তারে সারাদেশে সুনাম ছড়িয়ে দিবে এবং আমাদের শিক্ষার্থীরা হয়ে উঠবে দেশ ও সমাজের এক-একটি আলোকবর্তিকা -এ প্রত্যশা করি। প্রশিক্ষিত আধুনিকমনা শিক্ষকমণ্ডলী, স্বাপ্নিক শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সচেতন হৃদয়ের অভিভাবকমণ্ডলীর সমন্বিত প্রয়াসে বেগবান হোক আমাদের এই নিরন্তর পথচলা।
Why Study at SLTCPSC?
লক্ষ্য অর্জনের উপাদান : জ্ঞান, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা
উদ্দেশ্য : শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার মাধ্যমে
ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
মূলনীতি : প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পাঁচটি মুলনীতির উপর পরিচালিত-
(১) উপযোগী পরিবেশে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড প্রণীত সিলেবাস অনুযায়ী
সকল স্তরের শিক্ষাদান।
(২) শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের
মধ্যে চিন্তা-ভাবনা ও ধ্যান ধারণার অবাধ যোগাযোগ গড়ে তোলা।
(৩)
পাঠ সহায়ক ও পাঠ্যক্রম বহির্ভূত সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকসুষম বিকাশে সাহায়তা করা।
(৪)
শিক্ষার্থীরা যেন যোগ্য নাগরিক হিসেবে ভবিষ্যতে সকল ক্ষেত্রে মূল্যবান
অবদান রাখতে পারে এবং জাতিকে গতিশীল নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে সে জন্য
সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ।
(৫) নৈতিক, সামাজিক,
শারীরিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য সুষম সুযোগ
সৃষ্টি করা।
Campus & Infrastructure
Achievements
Academic Excellence
Consistently outstanding results in board exams and national competitions.
Co-curricular Success
Winners in debate, science fairs, sports, and cultural events at district and national levels.
Community Impact
Active participation in social service, awareness campaigns, and leadership programs.
Alumni Achievements
Graduates excelling in higher education and diverse professional fields.